মডেলিং-আদিগন্ত

টাইমস আই বেঙ্গলী ডটনেট, ঢাকা : পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের পণ্য সামগ্রীর বিক্রয় বাড়াতে এক ধরনের অলিখিত প্রতিযোগিতায় নামতে হচ্ছে নিজেদের টিকিয়ে রাখার স্বার্থে। তাদের বিক্রয় কৌশল নির্ভর করছে এমন কিছুর উপর যা ক্রেতাকে কোন না কোনভাবে আকৃষ্ট করে। আর এই আকৃষ্ট করার মাধ্যমই হচ্ছে বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপন আজ শিল্প হিসেবে পরিগণিত। আর এই বিজ্ঞাপনকে প্রাণবন্ত ও আকর্ষনীয় করে তুলতে যারা নিজেকে উপস্থাপিত করেন তারাই ‘মডেল’।

মডেলের সুত্রপাতঃ ষোড়শ শতকে ইতালীয় মোদেল্লা শব্দ থেকে ফরাসী ভাষার মোদেল শব্দের উৎপত্তি যা কিনা লাতিন শব্দে মোদুলুস। মোদুলুস শব্দের অর্থ মাপ, আর এই মোদুলুসই পরে ইংরেজী স্থান পায় মডেল রূপে।

শিল্প বিল্পবের পর পণ্যের উৎপাদন যত বাড়লো ততই বাড়লো সে সব পণ্যের বিক্রির প্রতিযোগিতা। যার জন্যে পণ্যের প্রস্তুতকারীদের ব্যাপক প্রচারে নামতে হলো তখন টি.ভি ছিলোনা। সিনেমাও মাত্র জমে উঠেছে, তাই পণ্যের প্রচারের মাধ্যম হিসেবে গোড়ার দিকে সংবাদপত্র আর সাময়িক পত্রগুলোই ব্যবহার করা হতো। আর থাকতো রাস্তায় রাস্তায় হোডিং বা বিজ্ঞাপনের সাইনবোর্ড। পরে পণ্যের প্রচার শুরু হলো সিনেমা হলে স্লাইড বা স্থির চিত্রের মাধ্যমে আর চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন ফিল্ম ক্রমশঃ প্রচারের এক বড় মাধ্যম হয়ে উঠতে শুরু করলো। মাত্র এক দশকে স্বাধীনতার উত্তর অর্থাৎ ৮০’র দশকে আমাদের বাংলাদেশেও পণ্যের বিজ্ঞাপনের কার্যকরী এবং জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে টেলিভিশন। আমাদের দেশে এখন টেলিভিশনে একটি বিজ্ঞাপন দেখিয়ে একজন বিজ্ঞাপন দাতা বিশাল সংখ্যক লোককে তার পণ্যের ব্যাপারে আগ্রহী করে তুলতে সক্ষম না হলেও মোটামুটি সংখ্যক লোককে আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছে একথা স্বীকার করতেই হবে।

পণ্য দ্রব্যের বিজ্ঞাপন মানেই পর্দায় ভেসে উঠবে মোহিনী হাসি, সুন্দরভাবে চলাফেরা ও নজরকাড়া সোন্দর্য যা মডেলের পক্ষেই সম্ভব। বিজ্ঞাপন নির্মাতারা যে শুধু কোম্পানীর পণ্যের মডেলকে টেলিভিশনেই উপস্থাপনা করছেন তা নয়, এই সব মডেলরা রাস্তায় হোর্ডিং বা সাই বোর্ড অডিও ভিস্যুয়াল এবং প্রিন্ট মিডিয়াতেও উপস্থাপিত হচ্ছেন। বর্তমানে মডেলরা র‌্যাম্পেও কাজ করছেন। একটি সময় ছিলো যখন মডেল ব্যবহার করতেন শুধু চিত্রকররাই দেশ-বিদেশের বড় বড় শিল্পীদের আঁকা অসংখ্য ছবিতে এরকম কতো মডেল শিল্পীর ক্যানভাসের বুকে অমর হয়ে আছেন। তবে সেই সব যুগে শিল্পীর সামনে মডেল হয়ে বসতো পতিতারা। সাধারণ ঘরের মেয়েদের খুব একটা পাওয়া যেতোনা। কারণ মেয়েদের আব্র“, পোষাক আশাকের ব্যাপারে তাদের শালীনতাবোধ তখন অন্যরকম ছিলো। শিল্পীর চাহিদা মতো বেশবাসে ছবি আঁকাবার জন্য বসতে ঘরের মেয়েরা রাজী হতেন না। ফলে সমাজের নিম্নস্তরের অভাবী মেয়েরা আর বরবনিতা মেয়েরা সাধারণতঃ মডেল হতে রাজী হতেন। স্বাধীনতার পূর্বকালে এখানে বিজ্ঞাপন ব্যবসা বা শিল্পী এতোটা বিকশিত না থাকায়, বেশীরভাগ পণ্য সামগ্রীর বিজ্ঞাপনেই থাকতেন পশ্চিম পাকিস্তানের সুন্দরী মেডেলরা। কারণ বিজ্ঞাপন শিল্পটি তখন ছিলো করাচী লাহোর কেন্দ্রিক। কালভেদে কদাচিৎ দু একটি বাঙ্গালী মুখ ঝলসে উঠতো। তবে নব্বইয়ের দশকের সূচনালগ্নে মডেলিং গোটা দেশে দারুন ক্রেজ তৈরী করে।

যেহেতু এখন পর্যন্ত আমাদের দেশে মডেল তৈরীর প্রশিক্ষণশালা বোম্বের মত প্রভাবে গড়ে ওঠেনি সেহেতু প্রাথমিক প্রস্তুুতি নিতে হবে ঘরে বসেই। প্রতিদিন টিভি চ্যানেলগুলোতে প্রচারিত বিজ্ঞাপন চিত্রগুলো দেখতে হবে। আপনি নিজেকে যতই সুন্দর বা সুন্দরী ভাবুন না কেন প্রফেশনাল এটিচ্যুডে মডেল হতে হলে এ্যাকশন এক্সপ্রেশন দিতে না জানলে তার কোন মূল্যই নেই। সৌন্দর্যের সঙ্গে মেধার সমন্বয়ে তৈরী হয় একজন সফল মডেল। একজন ভাল বিজ্ঞাপন নির্মাতা কোম্পানীর পণ্যের স্ত্রীপ্ট অনুযায়ী যে কাউকে যে কোন বয়সে পণ্যের মডেল হিসাবে নিতে পারেন। হতে পারে সে শিশু থেকে বুড়োবুড়ি পর্যন্ত। সৌন্দর্যের সঙ্গে মেধার সমন্বয়ে তৈরী হয় একজন সফল মডেল। পণ্যের মডেল হবার পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে ফ্যাশন শোর মডেল হতে পারেন। এ ধরনের শোর পূর্বে দীর্ঘ সময় ধরে মহরা দেওয়া হয়। এই মহরা নিজেকে তৈরী করতে অনেকখানি সহায়তা করে। অন্যদিকে প্রাথমিক পরিচিতি তৈরীতে সহায়ক হয় ফ্যাশন মডেলিং এতে ষ্টীল ক্যামেরার সামনে এক্সপ্রেশন দেবার ক্ষমতা বাড়ে। তখন ফ্যাশন মডেল হবার সুযোগ অনেক প্রসারিত হয়। যেহেতু ছবি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কাজেই ফটোশেসনের সময় নিজেকে সাবলীল এবং জড়তা মুক্ত হতে হবে। যতটা পারা যায় ছবিতে যেন এক্সপ্রেশন থাকে। দক্ষ ফটোগ্রাফার দিয়ে ছবি তোলা উচিত। দক্ষ ফটোগ্রাফারের সঙ্গে থাকেন দক্ষ মেকআপম্যান, দক্ষ লাইাটম্যান এদের সমন্বয়েই একটি সুন্দর ষ্টীল ছবি বের হয়ে আসে। মনে রাখতে হবে প্রফেশনাল ফটোগ্রাফি পণ্যের মডেল হবার পথে প্রথম ভাগ্যনির্ধারণী পরীক্ষা।

বিভিন্ন মডেলিং-এর বিভিন্ন ধরন ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

হাই ফ্যাশন মডেলিং:এ ধরনের মডেলিং সাধারণত ফ্যাশন শো আর ফ্যাশন প্রচারণায় প্রয়োজন হয়। বড় বড় ফ্যাশন হাউজ তাদের নতুন পোশাকের প্রদর্শন-এর জন্য ফ্যাশন শো-তে বা অন্যান্য মাধ্যমে পণ্যের প্রচারণার জন্য হাইফ্যাশন মডেলদের ব্যবহার করে। আর এই কাজেরসম্মানীও বেশ চড়া।

এডিটোরিয়াল মডেলিং:এডিটোরিয়াল মডেল বিশেষ কোন প্রকাশনা বা ফ্যাশন, স্বাস্থ্য,লাইফস্টাইল বিষয়ক ম্যাগাজিনগুলোর জন্য কাজ করে। এই ধরনের মডেলিং-এ ফ্যাশন ডিজাইনার ও এডিটরগণ মডেলদের ফটো আরও আকর্ষণীয় করে উপস্থাপন করে। এই কাজগুলো মডেলদের সুখ্যাতি আর পোর্টফলিও ভারি করে।

ক্যাটালগ মডেলিং:নির্দিষ্ট কোন ব্র্যান্ডের বিভিন্ন পোশাকের/পণ্যের মডেলিং করাটাই ক্যাটালগ মডেলিং। এতে অনেক বেশি প্রতিযোগীতার মাধ্যমে মডেলকে সুযোগ পেতে হয়। কারণ, এর প্রসার অনেক বেশি আর মডেল-এর নাম, যশ, খ্যাতিও হয় অনেক। তবে অনেক ছোট কোম্পানি তাদের ছোট্ট মার্কেটের জন্যও ক্যাটলগ মডেলদের নিয়োগ করে।

রানওয়ে মডেলিং:এই ধরনের মডেল রানওয়েতে ক্যাটওয়াক করেন কোন ডিজাইনার বা স্টোরের কাপড় পরে। এই্যফাশন শো ঘরে বা বাইরে যেকোনো জায়গায় অনুষ্ঠিত হতে পারে। নতুন মডেলদের জন্য কাজ শেখা ও নিজেকে তুল ধরার এটা একটা দারুণ উপায়।

সুইমস্যুট মডেলিং:এই ধরনের মডেলদের অসাধারণ দেহ গড়ন হয়। হাই ফ্যাশন আর এডিটোরিয়াল মডেলরা এই ধরনের মডেলিং করেন। আন্তর্জাতিক বাজারে অনেক ডিজাইনারই তাদের কালেকশনে বা ফ্যাশন শো-তে সুইমস্যুট রাখেন। অনেক ম্যাগাজিনও প্রচুর সুইমস্যুট মডেলদের উপস্থাপন করে।

লঞ্জারি মডেল:লঞ্জারি মডেল অবশ্যই দেখতে আবেদনময়ী হবে। হাইফ্যাশন আর এডিটোরিয়াল মডেলও এই ক্যাটাগরিতে পড়ে। সাধারণত অন্তর্বাস প্রস্তুতকারক ফ্যাশনহাউজ-ই এইধরনের মডেলদের দিয়ে তাদের কালেকশনের প্রদর্শনী, ফটো শুট ইত্যাদি করে থাকে

গ্ল্যামার মডেলিং:গ্ল্যামার মডেলিং-এ সাধারণত মডেলকে যৌন আবেদনময়ী হিসাবে উপস্থাপন করা হয়- শরীরকে পোষাকে আবৃত রেখে বা সম্পূর্ণ নগ্ন করে। তবে এটা পর্নোগ্রাফী নয়। বিশেষ ম্যুড বা পরিস্থিতিকে বোঝানোর জন্য এই মডেলিং-এর প্রয়োজন পড়ে। এধরনের মডেলিং-এর সফলতায় চাই শরীরের সঠিক গঠন ও আকৃতি। ফলে, এমনও হয় যে, গ্ল্যামার ইন্ডাস্ট্রিতে মডেলরা সফলতার জন্য তাদের স্তন পর্যন্ত ইমপ্লান্ট করে।

প্রিন্ট মডেলিং:প্রিন্ট মডেলরা প্রচুর বিস্তৃতি লাভ করে। এরা সাধারণত সব ধরনের প্রিন্টিং মাধ্যমের জন্য কাজ করে, যেমন- বিলবোর্ড, সব ধরনের প্রিন্ট মিডিয়া এ্যাড ইত্যাদি।

প্রমোশনাল মডেলিং/ট্রেড শো মডেলিং:এই ধরনের মডেলদের কাজের স্থান হলো বিভিন্ন সমাবর্তন/সভা বা সম্মেলন এবং বাণিজ্য মেলা। অতিথিদের অভ্যর্থনা বা কোন স্টলে দাঁড়িয়ে আগন্তুকদের সংশ্লিষ্ট পণ্য বা সেবার বিষয়ে অবগত করানো এবং তা ক্রয়ে উদ্বুদ্ধ করা। আমাদের এখানে সাধারণত এদের ব্র্যান্ড প্রোমোটার বা বিপি বলে।

প্লাস সাইজ মডেলিং:সবাই আপনাকে মোটা বললেও কোন দুঃখ নেবেন না। কারণ, মোটা বা প্লাস সাইজ মডেলদের একটা বড় চাহিদা বিশ্বব্যাপী আছে। প্লাস সাইজ মডেলরা সমাজেরএকটা বড় অংশের প্রতিনিধিত্ব করেন। সাধারণত ১এক্সএল সাইজের উপরে যেকোনো মডেলকে প্লাস সাইজ মডেল হিসাবে বিবেচনা করা হয়। প্লাজ সাইজ পোশাকের ফ্যাশন, ক্যাটালগ বা রানওয়ে মডেল হিসাবে এদের প্রচুর কাজ রয়েছে।

ক্যারেক্টার মডেলিং/রিয়েল পিপল মডেলিং/কমার্শিয়াল মডেলিং:এই ধরনের মডেলিং-এর নির্দিষ্ট কোন প্রকার সংজ্ঞা হয় না। এখানে প্রয়োজনীয় চরিত্রটিই মুখ্য। বিশেষতঃ টিভি বিজ্ঞাপনের কথাই যদি ধরি তাহলে বিজ্ঞাপন ভিডিওটির চরিত্রের প্রয়োজনে গ্রাম্য বা শহুরে, কালো বা ফর্সা, লম্বা বা খাটো যা-ই হোক না কেন চরিত্রটি হতে হবে যথার্থ। এই চরিত্রটি/গুলোর মডেলরা বাণিজ্যিক প্রচারণার স্বার্থে প্রিন্ট বা ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় প্রচুর কাজ করে।

এছাড়াও বিভিন্ন প্রয়োজন ও উদ্দেশ্য অনুযায়ী অন্যান্য মডেলিং-এর চাহিদাও আছে। যেমন খাটো মানুষদের ফ্যাশন ও লাইফ স্টাইলের জন্য পেটিট মডেলিং, শিশুদের ফোকাস করে চাইল্ড মডেলিং, টিন এজারদের ফোকাস করে টিন মডেলিং, শরীরের বিশেষ অঙ্গে পোশাক বা এক্সেসরিজ ফোকাস করে বডি পার্ট মডেলিং, বয়স্কদের ফোকাস করে ম্যাচিওর মডেলিং ইত্যাদি ধরনের মডেলরাও ব্যাপক পেশাদারী কাজ করেন। তাই যারা মডেল হিসাবে ক্যারিয়ার গড়তে চান তাদেরকে নিজেদের জন্য মানানসই ও সামঞ্জস্যপূর্ণ ধরন বেছে নিয়ে বা বিশেষজ্ঞ’র পরামর্শ নিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করতে পারেন।

ফটো শ্যুট সফল করতে হলে নিচের বিষয়গুলো মেনে চলতে হবে:

ক)সঠিক সময়ে উপস্থিত হওয়া। সময়ানুবর্তিতা প্রত্যেক ফটো শ্যুটের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়খ) যদি ফটো শ্যুটের সময় কেউ সাথে না থাকে তবে অবশ্যই পরিবারের লোকদের জানাতে হবে যে কোথায় ফটো শ্যুট হচ্ছে গ)বিভিন্ন ফ্যাশন স্টাইল প্রতিফলিত করতে যতটা সম্ভব ভিন্ন ভ্নি পোশাক সাথে আনতে হবে

ঘ)নিজের মেকআপ আর্টিস্ট নিয়ে আসা সবচেয়ে ভাল, যদিও স্টুডিওতে একজন মেকআপ আর্টিস্ট থাকেই

ঙ)ফটোগ্রাফারের অন্য ক্লায়েন্ট থাকলে তাদের সাথে পরিচিত হলে সুযোগের গন্ডিটাও বেড়ে যেতে পারে

চ)ফটো শ্যুটের প্রয়োজনে ইচ্ছার বিরুদ্ধে করতে হচ্ছে এমন কোন বিষয়ের জন্য মানসিক চাপ না নিয়ে সেটাকে স্বাভাবিকভাবে নিলেই সুন্দর ফটো সম্ভব হবে

ছ)প্রত্যেক ফটো শ্যুটে অবশ্যই একটা লিখিত চুক্তি থাকতে হবে যে ফটোগুলো কোথায় কিভাবে ব্যবহৃত হবে

জ)কোন ফটো শ্যুটে লম্বা ভ্রমণের ব্যাপার থাকলে শ্যুটের আগে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করতে হবে যাতে ফটো প্রাণোচ্ছল এবং সতেজ দেখায়

ঝ)ফটো শ্যুট প্রথম-ই হোক আর ১০০ তম-ই হোক সব সময় পেশাদারী আচরণ বজায় রাখতে হবে। মডেলিং ইন্ডাস্ট্রিতে ফটোগ্রাফারগণ পরস্পরের সাথে খুবই ভাল সম্পর্ক রাখেন এবং মডেলদের সম্পর্কে ভাল ধারণাখুবই জরুরী একটা বিষয়– পোর্টফলিও সব সময় সর্বশেষ ফ্যাশন এবং পোশাক পরিচ্ছদ দিয়ে হাল নাগাদ রাখতে হবে। কারণ অনেকদিন আগের কোন একটা ফটো আপনার ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নেবে না

ঞ)ফটোগ্রাফারদের সাথে যতটা সম্ভব যোগাযোগ রাখতে হবে। তাকে মডেলের ভাবনা চিন্তা, পরিকল্পনা,সাজেশন সবকিছুই জানাতে হবে

ট)প্রত্যেক ফটো শ্যুটের শেষে যাচাই করে নিন কোন ফটোগুলো সেরা। শুধু ফটোগ্রাফার-ই নয়, আপনার বন্ধু, পরিবার, এজেন্ট বা ইন্ডাস্ট্রির যেকোনো অভিজ্ঞ’রকাছথেকে জানুন কোন ফটোগুলো সেরা হয়েছে।

কিছু টিপস:১)- নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলতে মনোযোগী হতে হবে।২) পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। প্রতিনিয়তই ভাবতে হবে নিজেকে নতুন কী করে উপস্থাপন করা যায়।৩) কমিটমেন্টের জায়গাগুলো ঠিক রাখতে হবে এবং সময় মেইনটেইন করে চলতে হবে।৪)থাকতে হবে নিবেদন, অধ্যাবসায় এবং গন্তব্য।

print

Leave a Reply