পাবনা সুগার মিল এক ধাপ উন্নয়নের সিঁড়িতে অধিক আখের আবাদ করে অধিক আয় করুন

আব্দুল হান্নান, বিশেষ প্রতিনিধি, পাবনা থেকে:সরকার ঘোষিত অধিক আখের আবাদ করে অধিক আয় করুন। এই শ্লোগান বুকে ধারন করা হলে দুঃখকষ্ট আর থাকবেনা। দেশ শান্তির নীড় বয়ে আনবে ও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। ৫০/৬০ হাজার টন আখ আসে চাষীদের মাধ্যমে তাতে করে চিনির চাহিদা আনুযায়ী পূরণ হচ্ছে না। ২ হাজার ৫শ জন চাষী পাবনা সুগার মিল কে প্রতি বছর আখ সরবরাহ করে থাকে। প্রতি মণ ১৩৭.৩৬ পয়সা মিলগেট ১৪০ টাকা প্রতি মণ হারে ক্রয় করেন মিল কর্তৃপক্ষ। এতে করে চাষীদের মধ্যে কোন অসন্তোষ নেই বরং স্ব-উদ্যোগে বেশি বেশি আখ চাষ করার উদ্ভদ্ধ হয়ে আরও চাষের জন্য এগিয়ে আসছে চাষীরা।
মহা পরিচালক মোঃ জাহেদ আলী আনছারী যোগ্যতা সম্পূর্ণ থাকায় ফিরে এসেছে অগ্রগতি ও উন্নতি। ২২তম আখ মাড়াই হলে পাবনা সুগার মিল, যোগ্যতা সম্পূর্ন লোকবল থাকলেও আখ কম বিধায় টার্গেট ব্যর্থ হচ্ছে ডিপার্টমেন্ট। মিলের আখ উৎপাদন করার ক্ষমতা থাকলেও ফলে জনসাধারণ চাহিদা মোতাবেক চিনির সরবরাহ কম, এর জন্য ডিপার্টমেন্ট দায়ী নয় বরং দেশের আখ উৎপাদন কমের কারণে বদনাম করা হচ্ছে কর্মকর্তাদের। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চিনির ঘাটতি আছে। সরকার ভূর্তকী দিয়ে হলেও জনস্বার্থ সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। চিনি একটি শিল্প খাত কেননা সরকার চাইবে জনগণ শান্তিতে বসবাস করে ভবিষ্যতে সুনাগরিক গড়ে উঠুক সেটা কাম্য। বেসরকারি চিনি কোম্পানীতে কেমিক্যাল যুক্ত আর পাবনা সুগার মিলে কেমিক্যাল মুক্ত। এতে এর চাহিদা বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। যার কারণে পাবনা সুগার মিলে চাপ পরেছে বহুগুণে। ফলে কর্মকর্তারা এর দাকোলের জন্য হিমসিম খেতে হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে জানা যায়। আনছারী এমনি ব্যক্তি তার গুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না। তার মেধা, শ্রম, মননশীলের নিরীখে মিলকে একধাপ এগিয়ে নিতে সক্ষম হয়। সরকারি ডিউটির অতিরিক্ত সময় দিয়ে মিলকে বাচিয়ে রাখার জন্য অক্লান্ত শ্রম দিচ্ছে। তার ঐকান্তিক চেষ্টার বদলে। ফিরে পেয়েছে প্রাণ।
অপরদিকে চেয়ারম্যান এ.কে.এম দেলোয়ার হোসেন (এফসিএমএ) চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পাওয়ার পর বাংলাদেশ চিনি খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের গতি আগের তুলনায় কর্মচঞ্চল ও উৎপাদন ক্ষেত্রে আরও ব্যপক পরিবর্তনে বৈপারত্য ফিরে পায়। তিনি দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর পর বৈপ্লবীক সৃষ্টিতে কর্মকর্তা, কর্মচারী ও চাষীদের মধ্যে সন্তোষ প্রকাশ করেন বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনৈক এই কথাগুলো বলেন।

print

Leave a Reply