চলতি মাসেই চট্টগ্রাম-কলকাতা পরীক্ষামূলক ট্রান্সশিপমেন্ট

টাইমস আই বেঙ্গলী ডটনেট, ঢাকা: ভারতকে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা দিতে প্রস্তুত রয়েছে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর। চলতি মাসেই দুই দফা পরীক্ষামূলক (ট্রায়াল রান) ট্রান্সশিপমেন্ট শুরু হবে। তবে ভারতীয় জাহাজকে বার্থিংয়ে অগ্রাধিকার বা বিশেষ এলাকা দেয়া হবে কি-না সেটি চুক্তির ওপর নির্ভর করছে।
জানা গেছে, ট্রান্সশিপমেন্টের ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম বন্দরের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি সম্পূন্ন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের পক্ষ থেকে যথেষ্ট সক্ষমতা রয়েছে। যদি জাহাজ আসে চট্টগ্রাম বন্দরের পক্ষ থেকে সেবা দিতে সক্ষম। আর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং দেয়া বা স্পেশাল এরিয়া থাকবে কিনা তা চুক্তির ওপর নির্ভর করবে। চলতি মাসেই দুটি ট্রায়াল রান হবে চট্টগ্রাম ও ক্যালকাটা বন্দরের মধ্যে। তারপরে রেগুলার রান হবে। তবে চট্টগ্রাম বন্দরে ২০১৮ সালে ২৯ লাখ ৩ হাজার টিইইউএস কন্টেইনার ওঠানামা হয়। ২০১৯ সালে এটি বেড়ে ৩০ লাখ ৮৮ হাজার টিইইউএসে দাঁড়ায়। এক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ।
ট্রান্সশিপমেন্টের ট্যারিফ (মাশুল) বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল জুলফিকার আজিজ বলেন, সরকার নির্ধারিত যেটা মাশুল সেটাই হবে। চট্টগ্রাম বন্দর সম্প্রসারণের জন্য ২০১৩ সালে একটা স্ট্র্যাটেজিক মাস্টারপ্ল্যান করা হয়। ওই মাস্টারপ্ল্যান পরবর্তী ৩০ বছরের জন্য, ২০৪৩ সাল পর্যন্ত। তখন কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ১৪ মিলিয়ন টিইইউএস হবে। আমরা এখন ৩ মিলিয়ন ক্লাবে। অর্থাৎ আরো ১১ মিলিয়ন টিইইউএস বাড়বে। যতই সম্প্রসারণ করি চট্টগ্রাম বন্দরে ৪ মিলিয়ন টিইইউএস এর বেশি হ্যান্ডলিং করতে পারব না। এজন্য আমরা বে টার্মিনাল ও মাতারবাড়ি টার্মিনাল করছি।

print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *