খুব বেশী একা

কোহিনুর আক্তার
নিজেকে খুব বেশী একা লাগে ।
ঘুম ভাঙাতে একা, একা একা হাঁটতে ।
খাবার টেবিলে ।
ডাল সিদ্ধ, কাঁচা কলার ভর্তা, আর সিদ্ধ ডিম।
খুব সংক্ষিপ্ত আয়োজনে
কারো আবির্ভাব অনুভব করি।
আমার চিনি ছাড়া চায়ের অংশীদার খুঁজি ।
পাশে কারো, বকবকানি শুনতে পাওয়া
এ যেনো স্বপ্নদিঘির মতো মনে হয় ।
একা একা কষ্ট পাই ,
কষ্ট বুনার জমি নেই ।

মনের সাথে শরীরের পরামপরা বন্ধুত্ব ।
তাই মনটা ভালো না থাকলে, শরীরটা ভালো থাকেনা।
হোটেলের সাদা রুটি আনতে কাওকে খুজতে হয় ।
অফিসের টেবিলের উপর রাখা অনন্ত ডায়েরিটা
আজকাল আমাকে খুঁজে।
আমার দিকে নির্লজ্জর মতো,
তাকিয়ে থাকে ।হাসে কথা বলে ।
ডায়েরিটা হাতে নিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে লিখে দেয়।
আমি ভালো আছি ।

বাগানের গাছগুলোকে আমার খুব আপন মনে হয়।
তারা আমার সাথে কথা বলে ।
আবার কোনো কোনো গাছ বলে অভিনেত্রী
নিজের সাথে অভিনয় করো ভালো থাকার ।
আমি বলি , এতো আমার নিয়তি।
নিয়তি নয় বলো কর্ম ,
তুমি ব্যর্থ জীবন গড়াতে। কিন্তু কর্ম কখনো ব্যর্থ নয়
তার ফল দিতে । তবে কেনো ঈশ্বরকে দায়ী করো
নিয়তি বলে।
কি করে বলো ভালো আছো! জহর সালে ?
মিত্র ছাড়া তুমি একা সন্ধ্যার কালে ।
একা একা গেথেছি মন,আঁধার কথনে।

print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *