এবার যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় করলেন ২ বাংলাদেশি

টাইমস আই বেঙ্গলী ডটনেট, ঢাকা: এবার যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট হুটনি জয় করেছেন দুই বাংলাদেশি। তাদের একজন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসাদ আজিম। মঙ্গলবার মাউন্ট হুইটনির সর্বোচ্চ চূড়ায় নিজ দেশের পতাকা ওড়ান তিনি। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী তারিক মো. নাসিম তার সঙ্গে ছিলেন। ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত মাউন্ট হুইটনি যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের (পাশাপাশি অবস্থিত ৪৮টি অঙ্গরাজ্য) সর্বোচ্চ পর্বত। এর উচ্চতা ১৪ হাজার ৫০৫ ফুট (৪ হাজার ৪২১ মিটার)।
আসাদ আজিম ও তারিক নাসিম যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত।
ছোটবেলায় পাহাড়ে ওঠার তীব্র নেশা থেকেই আসাদ আজিম এ শৃঙ্গ জয় করেন। তিনি বলেন, ছোটবেলায় চট্টগ্রামের পাহাড়ের চূড়ায় ওঠা আমার জীবনের অনেক বড় একটা দার্শনিক ভিত্তি তৈরি করে। আমি প্রতিটি অর্জনে একেকটা নতুন দিকনির্দেশনা খুঁজে পাই।
আসাদ আজিম এর আগেও নিউইয়র্কের সর্বোচ্চ পর্বত মাউন্ট মার্সি, নিউহ্যাম্পশায়ারের মাউন্ট চকোরুয়া, অ্যারিজোনার মাউন্ট হপকিনস, নেপালের কালিংচকসহ (এভারেস্টে যেতে অতিক্রান্ত স্থান) বিভিন্ন পর্বত জয় করেন।
তারিক নাসিমেরও পাহাড়প্রীতি গড়ে উঠেছিল ছেলেবেলা থেকেই। মাউন্ট হুইটনির সর্বোচ্চ চূড়া থেকে ফিরে এসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডিতে তিনি লেখেন, ‘…এই হাইকিংপ্রীতির হাতেখড়ি হয়েছে আমার বাবা মো. আবদুল হক সাহেব যখন তার সন্তানদের নিয়ে চট্টগ্রামের আনোয়ারার মরিয়ম আশ্রমের আশপাশের পাহাড়ে পাহাড়ে ঘুরে ঘুরে পাহাড়ি ফুলের চারাগাছ খুঁজে বেড়াতেন এবং সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ের চূড়ায় বেড়াতে যেতেন, তখন থেকে।’


তিনি বলেন, এরপর বন্ধুদের সাথে চট্টগ্রামের পাহাড়ে পাহাড়ে অবাধ বিচরণ, সিলেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের পেছনের পাহাড়ে অহেতুক ঘুরে বেড়ানো-এই সবকিছুই আজকের এই কঠিন হাইক এর জন্য আমাকে ধীরে ধীরে তৈরি করেছে ।
মাউন্ট হুইটনি জয় শেষে আসাদ আজিম তার ফেসবুক আইডিতে লেখেন, ‘লাইফ রিস্ক সহ অনেক বেশি বিপদজনক ছিল, আমাদের যাবার একদিন আগেও একজন উঠতে গিয়ে পড়ে মারা গিয়েছেন, তার আগের সপ্তাহে একজন, এর আগে কোন বাংলাদেশি গিয়েছেন কিনা জানা নেই, তবে ইন্টারনটে এমন কোন তথ্য পাইনি। এই ছবি দুটির আড়ালে ২২ ঘন্টার কষ্ট, অনিশ্চয়তা আর সংগ্রাম কোনভাবেই বুঝানো সম্ভব নয়। অবশেষে সুস্থ্যভাবে ফিরে আসতে পেরেছি।’


এদিকে, তারিক নাসিম ফেসবুকে নিজের আইডিতে লেখেন, ‘এই হাইকিংপ্রীতির হাতেখড়ি হয়েছে আমার বাবা মো. আবদুল হক সাহেব যখন তার সন্তানদের নিয়ে চট্টগ্রামের আনোয়ারার মরিয়ম আশ্রমের আশপাশের পাহাড়ে পাহাড়ে ঘুরে ঘুরে পাহাড়ি ফুলের চারাগাছ খুঁজে বেড়াতেন এবং সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ের চূড়ায় বেড়াতে যেতেন, তখন থেকে। এরপর বন্ধুদের সাথে চট্টগ্রামের পাহাড়ে পাহাড়ে অবাধ বিচরণ, সিলেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের পেছনের পাহাড়ে অহেতুক ঘুরে বেড়ানো এই সবকিছুই আজকের এই কঠিন হাইক এর জন্য আমাকে ধীরে ধীরে তৈরি করেছে।’

print

Leave a Reply