প্রিন্ট প্রিন্ট

এশিয়া কাপে ব্যর্থদের একাদশ

টাইমস আই বেঙ্গলী ডটনেট: এশিয়া কাপে আলো ঝলমল পারফম্যান্সে উজ্জ্বল ছিলেন অনেকেই। মুশফিকুর রহীম, রোহিশ শর্মা, মোস্তাফিজুর রহমান, শিখর ধাওয়ান, রশিদ খানরা এই তালিকায়। কিন্তু হতাশও করেছেন অনেক তারকা। চলুন দেখে নেওয়া যাক এশিয়া কাপের ব্যর্থদের একাদশ।

কুশল মেন্ডিস
শ্রীলঙ্কা এবার এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়। গ্রুপের দুই ম্যাচেই ব্যর্থ ছিলেন লঙ্কান ওপেনার কুশল মেন্ডিস। অবশ্য ব্যর্থ নয়, মহা ব্যর্থ বলা চলে তাকে। বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচেই শূন্য রানে আউট হয়েছেন তিনি।

ফখর জামান
দুর্দান্ত ফর্ম নিয়ে এশিয়া কাপ খেলতে গিয়েছিলেন পাকিস্তানি ওপেনার ফখর জামান। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরাতে পুরোপুরি ফ্লপ ছিলেন তিনি। ৫ ম্যাচে করেছেন মাত্র ৫৬ রান। দুই ম্যাচে শূন্য রানে আউট হয়েছেন। সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ৩১।

আসগর আফগান
এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলতে না পারলেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে সবার হৃদয় কাড়ে আফগানিস্তান। তবে দলটির অধিনায়ক আসগর আফগান নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। ৫ ম্যাচে রান করেছেন ১১৫। যদিও পাকিস্তানের বিপক্ষে ৬৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন।

অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ
শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ দলের সঙ্গে নিজেও ছিলেন অনুজ্জ্বল। ব্যর্থতার দায়ে তো তাকে অধিনায়কত্বও হারাতে হয়েছে। বাদ পড়েছেন দল থেকেও। দুই ম্যাচে মাত্র ৩৮ রান করেছিলেন তিনি।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
আফগানিস্তানের বিপক্ষে সুপার ফোরের ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ৭৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। কিন্তু অন্য ম্যাচগুলোতে সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। ৬ ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৫৬ রান।

মহেন্দ্র সিং ধোনি
প্রয়োজনের সময় ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে পড়াটা মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্য পরিচিত ব্যাপার। কিন্ত এশিয়া কাপের এবারের আসরে সেই ধোনিকে পাওয়া যায়নি। ৬ ম্যাচের ৪ ইনিংসে ব্যাট করেছেন। রান করেছেন মাত্র ৭৭।

সরফরাজ আহমেদ
পাকিস্তান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদকে চূড়ান্ত ব্যর্থ বলা চলে। ৫ ম্যাচে ৪ ইনিংসে তার মোট রান ৬৮। দল ফাইনালে তো খেলতেই পারেনি। তার চেয়েও বড় কথা ভারতের বিপক্ষে দুই বারের দেখাতেই পাকিস্তান হেরেছে বাজেভাবে।

হাসান আলি
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেরা বোলার ছিলেন হাসান আলি। কিন্তু এশিয়া কাপে পাক পেস বোলিং আক্রমণকে নেতৃত্ব দিতে পারেননি তিনি। ৫ ম্যাচে উইকেট নিয়েছেন ৫টি।

মোহাম্মদ আমির
বাজে পারফরম্যান্সের কারণে তিন ম্যাচ খেলেই বাদ পড়ে যান মোহাম্মদ আমির। তিন ম্যাচে কোনো উইকেটই নিতে পারেননি এই ফাস্ট বোলার।

যুজবেন্দ্র চাহাল
বর্তমান সময়ে ভারতের স্পিন আক্রমণের নেতা বলা হয় তাকেই। তবে এশিয়া কাপে তেমন জ্বলে উঠতে দেখা যায়নি তাকে। ৫ ম্যাচে উইকেট নেয়ছিলেন ৬টি। দুই ম্যাচে ছিলেন উইকেট শূন্য।

আমিলা আপোনসো
এশিয়া কাপে তাকে অন্যতম ভরসা মেনেছিল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু বাংলাদেশের বিপক্ষে একটি মাত্র ম্যাচই খেলেছেন। ১ উইকট নিতে বেশ ব্যায় বহুল ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ